মেনু নির্বাচন করুন

আমিশাপাড়া বারাহীদেবীর মন্দির

বারাহী দেবীর মন্দির এ সকল পূজা গুলো হয় । বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসে দেখার জন্য । মন্দিরের ভিতরে অনেক গুলো মুর্তি রয়েছে। প্রতিনিয়ত একজন ঠাকুর থাকে ।

বারাহী দেবীর মন্দিরঃ

দেবী বারাহী একান্ন পীঠের একটি পীঠস্থান হয়েও ভারতময় ইহার বহুল প্রচার হয় নাই । পঞ্জিকায় এই পীথস্থানের নাম উল্লেখ করে স্থান অজ্ঞাত বলে লিখিত আছে। প্রকৃত পক্ষেয় স্থান অজ্ঞাত নয়। নোয়াখালী, ত্রিপুরা, চট্রগ্রাম প্রভৃতি জেলার সমস্ত হিন্দু জনগনের নিকট এই বারাহী পীঠ পবিত্র তীথক্ষেত্র ছিল। কথিত আছে যে, রাজা আদিশূরের পুত্র বিশ্বম্ভর শূর ভুলুয়ায় রাজধানী স্তাহপন করে বারাহী দেবীর মন্দির স্থাপন করেছিলেন। তখন এই মন্দির ছিল ভুলুয়া সন্নিহিত কল্যানপুরে। পরবর্তী কালে রুদ্র মানিক্যের পত্নী রানী শশীমুখী আমিশাপাড়া গ্রামে মন্দির নির্মান করে বারাহী দেবিকে পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করে। বারাহী দেবীর মন্দিরের নির্মান কাল নির্নয় প্রত্নতাত্ত্বিকদের গবেষনার বিষয়। কারন এ মন্দির নিয়ে কেউ তেমনা গবেষনা করে নি । পর্যবেক্ষনে দেখা গেছে বারাহী দেবীর মন্দির টি চুন, সুরকি, ইট দ্বারা নির্মিত এবং ইহার দেওয়াল বাটালি গুড়ের অনুরূপ ইট দ্বারা প্রতিস্থাপিত । বারেন্দাসহ মন্দিরের দৈর্ঘ্য ৩৬ ফুট এবং প্রস্থ ও ৩৬ ফুট উচ্চতা ১১.২৫ ফুট। ইহার দেওয়ালের ঘনত্ব ২.২৫ফুট। বর্গাকৃতি মন্দিরটির পশ্চিমদিক ব্যতীত অপর তিন দিকের বাররেন্দায় ১০টি সরু ও পিলার বা স্তম্ভ রয়েছে। মূল মন্দিরের প্রবেশ দ্বারে দুটি বড় অষ্টভূজাকৃতি স্মম্ভের ওপরের দেওয়ালে পদ্মফুলের কলি সাদৃশ্য নকশা পরিলক্ষিত হয়। মন্দিরের উত্তর ও পূরবে একটি করে মোট দুটি দরজা এবং দক্ষিনে একটি ও পূর্বে দুটি জানালা বিদ্যমান । পূর্বপার্শ্বে টিনসেডের একটি নাট মন্দির সংযুক্ত রয়েছে এবং মন্দির সংলগ্ন উত্তর পার্শে রয়েছে ষষ্ঠাভূজাকৃতি রাধাকৃষ্ণ মন্দির । যা এখনো নির্মানাধীন, এই মন্দিরের প্রস্তাবকারী উদ্বোধক পরম শ্রদ্ধেয় আত্ননন্দ গিরি মহারাজ অধ্যক্ষ মহাতীর্থ চন্ডীমুড়া, লালমাই, কুমিল্লা । 

 


কিভাবে যাওয়া যায়:

আমিশাপাড়া বাজার থেকে পশ্চিম দিকে


Share with :
Facebook Twitter