মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশন

 

গঠনতন্ত্র

(সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশন)

(একটি অরাজনৈতিক, অ-লাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন)

প্রধান কার্যালয়

সোনাইমুড়ী উপজেলা কমপেস্নক্স

সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী।

ফোন: ০৩২২৭-৫১০০২

ফ্যাক্স: ০৩২২৭-৫১০০৮

ই-মেইল:sonaimurifoundation@yahoo.com

 

ভূমিকাঃ- বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আমাদের কারোই ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই অথবা কেউই একা পথ চলার ফুরসত নেই। তাই আমাদের চিমত্মা, চেতনা ও বুদ্ধির বিকাশকে কাজে লাগিয়ে মানুষের কল্যাণের জন্য নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারলে তবেই আমরা জাতি হিসাবে টিকে যাবো উপকৃত হবে সমাজ জাতি এবং আগামী প্রজন্ম।

অনুচ্ছেদ - ০১ঃ ফাউন্ডেশনের নাম ও ঠিকানা

(ক) নামঃ ‘‘সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশন’’, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী

(খ) ঠিকানাঃ সোনাইমুড়ী উপজেলা পরিষদ কম‡প্লক্স, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী। 

অনুচ্ছেদ ০২ঃ সংস্থার প্রকৃতিঃ

ইহা একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা।

অনুচ্ছেদ- ০৩ঃ কর্মক্ষেত্রের সীমাঃ

সমগ্র সোনাইমুড়ী উপজেলা এবং পরবর্তীতে সমগ্র নোয়াখালী জেলায় কার্যক্রম করা যাবে।  সংwশ্লষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে অন্য যে কোন জেলায় এর কার্যক্রম সম্প্রসারন করা যাবে।

অনুচ্ছেদ- ০৪ঃ লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যঃ

(ক)  দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া ছাত্র/ছাত্রীদের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশিwক্ষত হিসেবে গড়ে তোলাই এ ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ¨;

(খ)  পৌরসভা ও গ্রামের নিম্ন মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত এবং বসিত্ম এলাকায় বসবাসরত সুবিধা বঞ্চিত ছাত্র/ছাত্রীদের স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা;

(গ) ফাউন্ডেশনের কর্মএলাকায় গরীব ও মেধাবি ছাত্র/ছাত্রীদের প্রতিমাসে বৃত্তি নিশ্চিত করা;

(ঘ) সোনাইমুড়ী শিক্ষvর সামগ্রিক উন্নয়নের সোনাইমুড়ী উপজেলাকে উন্নত উপজেলায় রূপামত্মরে এফাউন্ডেশন কাজ করবে।

 

সুনিদিষ্ট উদ্দেশ্যঃ

অনুচ্ছেদ- ০৫ঃ

০১.শিশু কল্যাণঃ

(ক) কর্ম এলাকার সকল শিশুর শিক্ষvর অধিকার নিশ্চিত করে প্রতিটি শিশুর স্কুলে ভর্তি নিশ্চিত করা;

(খ) অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকগণের সহযোগীতা নিয়ে শিক্ষvপ্রতিষ্ঠানে টিপিন ব্রেকে ‘‘মিড ডে মিল’’ বা দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা করা;

(গ) শিক্ষvপ্রতিষ্ঠানসমূহে সার্বিক পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা;

(ঘ) উপজেলাস্থ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও পর্যায়ক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক হতে উচ্চতর শিক্ষvপ্রতিষ্ঠানের মেধাবী

     শিক্ষvর্থীসহ দরিদ্র, এতিম ও অসহায়দের জন্য বৃত্তি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা;

(ঙ) প্রতিটি শিক্ষvপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষvর্থীদের স্কুল ড্রেস  নিশ্চিত করা;

(চ) ফাউন্ডেশনের সংগঠিত সদস্যদেরকে নিজ নিজ উদ্যোগে তার এলাকার শিশুদেরকে স্কুলে পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করা;

(ছ)    উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্পের আওতায় ঝরে পড়া/বাদ পড়া শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দান;

(জ)    শিশু মৃত্যুর হার কমানোর লক্ষে গর্ভবতী মায়ের সেবা এবং শিশু পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা;

(ঝ)    শিশুশ্রম রোধকল্পে ব্যপকভাবে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

০২. নারী কল্যাণঃ

ক) বিত্তহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মহিলাদেরকে সংগঠিত করে তাদের আত্মকর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প বাসত্মবায়নের জন্য সহায়তামূলক প্রকল্প ও কর্মসূচি পরিচালনা করা। যেমন- দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ, নিজস্ব পুঁজি গঠনের জন্য উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা এবং বিভিন্ন আয়মূলক প্রকল্প পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা করা প্রভৃতি;

(খ)    সংগঠিত সদস্যদের উৎপাদিত পণ্যের বিপণনসহ ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকল্পে বাজার সৃষ্টিতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা;

(গ)    গ্রামীণ সুবিধা বঞ্চিত, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী বিশেষ করে মহিলাদেরকে তাঁদের সামাজিক ও আইনগত অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নারী নির্যাতন ও যৌতুকের বিরম্নদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা। যৌতুক নেয়া ও দেয়া শাসিত্মযোগ্য অপরাধ সম্পর্কে জনগনের মাঝে ব্যাপক প্রচার করা;

(ঘ)    নির্যাতিতা/তালাকপ্রাপ্তা/স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাদেরকে সুবিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতকল্পে প্রাথমিকভাবে নারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে গ্রাম্য সালিশের ব্যবস্থা করা, প্রয়োজনে আইনগত সহায়তা প্রদান করা;

(ঙ)    সংগঠিত মহিলাদেরকে নিয়ে দল গঠন করে তাদের মধ্য হতে নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে মহিলাদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো;

(চ)     মাতৃত্বকালীন ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে গর্ভবতী মায়ের পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সংস্থার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা;

(ছ)  বাল্য বিবাহরোধকল্পে ব্যপক জনসচেতনতা সৃস্টি করা। বাল্য বিবাহ আয়োজন করা শাসিত্মযোগ্য অপরাধ সম্পর্কে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা সৃস্টি করা।

০৩. শারিরীক ও মানসিক প্রতিবন্ধী অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণঃ

(ক)   শারিরীক মানসিক ও বিভিন্ন রকমের প্রতিবন্ধীদেরকে যথাযথ মর্যাদার সাথে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তাঁদেরকে বিভিন্ন আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে উক্ত প্রশিক্ষনকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে উদ্বুদ্ধ করা, প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য কাজ করা;

(খ) সংস্থার সামর্থ্য বৃদ্ধি/দাতা সংস্থার সহযোগিতায় শারিরীক, মানসিক ও বিভিন্ন ধরণের প্রতিবন্ধীদেরকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে সুস্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি তাদেরকে পুনর্বাসন করা;

(গ)    সকল শ্রেণীর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী দাতা ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প ও বাসত্মবায়ন করা যাবে।

০৪. পরিবার পরিকল্পনাঃ

(ক) ব্যাপক গণ-সংযোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচী বাসত্মবায়নে এই সকল জনগোষ্ঠিকে উদ্বুদ্ধ করণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রনে কার্যকরী ভূমিকা রাখা;

(খ)   গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিশেষ করে পানিবাহিত ও মলবাহিত রোগ ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনারা সৃষ্টি করা এবং গ্রামীণ স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনার উন্নয়নকল্পে প্রকল্প বাসত্মবায়ন করা।

০৫. সমাজকল্যাণ  সংস্থা সমূহের  সমন্বয়  সাধনঃ

সমন্বয় সাধনের লক্ষে এলাকায় কর্মরত সমাজকল্যাণ সংস্থা ও এনজিও‘সমূহের সাথে মাসিক সমন্বয় সভার আয়োজন করা। এছাড়াও সমাজ তথা জাতির জন্য কল্যাণকর যে কোন জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক কর্মকান্ডে সমন্বিত অংশগ্রহণের লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের সার্থে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করা।

অনুচ্ছেদ -০৬ঃ সদস্য পদঃ

সংস্থার ০৪(চার) ধরনের সদস্য পদ থাকবে-

(ক) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (খ) সাধারণ সদস্য (গ) আজীবন সদস্য ও (ঘ) দাতা সদস্য।

(ক)     প্রতিষ্ঠাতা সদস্যঃ  সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতার অবদানকে সরনীয় করে রাখতে তার নাম ও পদবি   (প্রতিষ্ঠাতা, সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশন) ছবি ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে দেয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখার বিষয়ে কার্য নির্বাহী পরিষদ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রতিষ্ঠাতা, সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশন এর জীবদ্দশায় ফাউন্ডেশনের যে কোন  সভা, সেমিনার, প্রকল্প গ্রহণ ও বাসত্মবায়ন ইত্যাদি বিষয়ে তাকে অবহিত করে মতামত গ্রহণপূর্বক কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করতে হবে।

(খ)   সাধারণ সদস্যঃ এই ফাউন্ডেশনের কার্য এলাকার শিÿা প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধানগণ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন, উপজেলা পরিষদের সকল সরকারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ ফাউন্ডেশনের স্থায়ী সাধারণ সদস্য। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা যার বয়স ১৮ বৎসর অধিক, সৎ চরিত্রবান, সংস্থার প্রতি আস্থাশীল ও সামাজিক উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ পুরম্নষ বা মহিলা, যিনি এই ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র মেনে চলতে অঙ্গীকারাবদ্ধ তিনি এই ফাউন্ডেশনের সদস্য পদ লাভের জন্য আবেদন করতে পারবেন। একজন সাধারণ নাগরিক সদস্য হতে ভর্তি ফি বাবদ=১০০/- টাকা এবং বার্ষিক চাঁদা বাবদ ৬০০/- টাকা দিতে বাধ্য থাকবেন।

(গ)   আজীবন সদস্যঃ যিনি সাধারণ পরিষদের সদস্য নহেন অথচ এই ফাউন্ডেশনের প্রতি আস্থাশীল, হিতাকাঙ্খী এবং ফাউন্ডেশনের উন্নতি বিধানে অবদান রাখতে নূন্যতম ১০০০০০/-(একলক্ষ) টাকা ফাউন্ডেশনে অনুদান প্রদান করবেন। তাকে আজীবন সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আজীবন সদস্যদের অবদানকে সরনীয় করে রাখতে তাদের নাম ফাউন্ডেশনের অনারবোর্ডে লিপিবদ্ধ থাকবে।

(গ) দাতা সদস্যঃ যিনি সাধারণ পরিষদের সদস্য নহেন অথচ এই ফাউন্ডেশনের প্রতি আস্থাশীল, হিতাকাঙ্খী এবং ফাউন্ডেশনের উন্নতি বিধানে অবদান রাখতে নূন্যতম ৫০০০০০/-(পাচলক্ষ) টাকা বা তার সমপরিমান সম্পদ ফাউন্ডেশনে অনুদান প্রদান করবেন তাকে দাতা সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। দাতা সদস্যদের অবদানকে সরনীয় করে রাখতে তাদের নাম, ঠিকানা ও অবদান ফাউন্ডেশনের অনারবোর্ডে লিপিবদ্ধ থাকবে।

অনুচ্ছেদ- ০৭ঃ সদস্য পদ সাময়িক ভাবে বাতিল বা স্থগিতকরণঃ

নিম্নলিখিত এক বা একাধিক কারণে সদস্যপদ সাময়িকভাবে বাতিল বা স্থগিত হবে অথবা সদস্য হিসেবে গণ্য হবেনা ঃ

ক) কোন সদস্য বাৎসরিক চাঁদা প্রদান বন্ধ রাখলে;

খ) ফাউন্ডেশনের স্বার্থ পরিপন্থি কোন কাজে অংশগ্রহণ করলে;

গ) মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে;

ঘ) আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্থ হলে;

ঙ) স্বেচ্ছায় ফাউন্ডেশনের সদস্যপদ হতে পদত্যাগ করলে;

চ) আজীবন ও দাতাগণ অনুদান প্রদানের সময় তাদের সদস্য পদ গ্রহণ না করলে;

ছ) এ ফাউন্ডেশনে চাকুরী গ্রহণ করলে।

অনুচ্ছেদ- ০৮ঃ সদস্য পদ পুনরম্নদ্ধারঃ

অনুচ্ছেদ ০৭এর বর্ণিত যে কোন কারণে কোন সদস্যের সদস্যপদ সাময়িকভাবে বাতিল বা স্থগিত থাকলে উক্ত সদস্য যদি যথার্থ কারণ দর্শাতে সক্ষম হন এবং তাঁকে সদস্য পদের যোগ্য বলে প্রতীয়মান করতে পারেন তাহলে সদস্য পদ সাময়িকভাবে বাতিল বা স্থগিত হওয়ার পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হতে পারে।

অনুচ্ছেদ -০৯ঃ সদস্যদের অধিকারঃসাধারন পরিষদের সকল সদস্যদেরাই সংস্থা সম্পর্কিত যে কোন তথ্য অথবা এর অধীন যে কোন প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য জানার অধিকার থাকবে। সদস্যগণ সকল সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের নোটিশ পাবে এবং নির্ধারিত সভায় অংশগ্রহণ করে তাদের মতামত প্রদানসহ মতামতের প‡ক্ষ-বিপ‡ক্ষআলোচনায় অংশ নিবে। ফাউন্ডেশনের যে কোন সাফল্য অথবা ব্যর্থতা সদস্যদের অংশিদারিত্ব থাকবে। কার্যক্রম বাসত্মবায়নে সদস্যদের অংশগ্রহণমূলক সহযোগীতা থাকবে।

অনুচ্ছেদ- ১০ঃ সাংগঠনিক কাঠামোঃ

এই ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক কাঠামোতে তিনটি পরিষদ থাকবে।

(ক) সাধারণ পরিষদ (খ) কার্য নির্বাহী পরিষদ ও (গ) উপদেষ্ঠা পরিষদ

ক) সাধারণ পরিষদঃ

প্রতিষ্ঠাতা, স্থায়ী ও সাধারণ সদস্য, আজীবণ সদস্য এবং দাতা সদস্যের সমন্বয়ে এ পরিষদ গঠিত হবে। এই পরিষদ বার্ষিক বাজেট অনুমোদন, বার্ষিক অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা, গঠনতন্ত্র সংশোধন ও অন্যান্য জটিল বিষয়াদির সমাধান করবে। এই পরিষদের অধিবেশন বৎসরে একবার অনুষ্ঠিত হবে। তবে তা বিশেষ প্রয়োজনে একাধিকবার করা যেতে পরে।

খ) কার্য নির্বাহী পরিষদঃ  সাধারণ পরিষদ এর সদস্যগণের মধ্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষvপ্রতিষ্ঠান হতে  ০৩(তিন) জন  শিক্ষvপ্রতিষ্ঠানের প্রধান  এবং ২ (দুই) জন গণ্যমাণ্য ব্যক্তি একজন মহিলাসহ  ফাউন্ডেশনের ২১ (একুশ) সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্য নির্বাহী পরিষদ থাকবে। ১৬(ষোল) জন নির্ধারিত (সরকারি বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান) সদস্য ফাউন্ডেশনের পদাধিকার বলে কার্য নির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষvপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও গন্যমাণ্য ব্যক্তি সভাপতি কর্তৃক মনোনিত ০৩(তিন) বছরের জন্য কার্য নির্বাহী সদস্যের দায়িত্ব পালন করবেন। কার্য নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ০১(এক) মাস পূর্বে পরবর্তী কার্য নির্বাহী পরিষদ গঠণ করে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপ‡ক্ষর নিকট হতে চুড়ামত্ম অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

কার্য নির্বাহী পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামো নিম্নরূপঃ

1.       

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সভাপতি

2.      

সহকারি কমিশনার (ভূমি)

সহ-সভাপতি

3.     

উপজেলা মাধ্যমিক শিÿা অফিসার

সাধারণ সম্পাদক

4.       

উপজেলা শিÿা অফিসার

সহ-সাধারণ সম্পাদক

5.      

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা

অর্থ সম্পাদক

6.      

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা

কার্য নির্বাহী সদস্য

7.      

উপজেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা

কার্য নির্বাহী সদস্য

8.      

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা

কার্য নির্বাহী সদস্য

9.      

উপজেলা প্রকৌশলী

কার্য নির্বাহী সদস্য

10. 

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

কার্য নির্বাহী সদস্য

11.   

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার

কার্য নির্বাহী সদস্য

12. 

অফিসার ইনচার্জ

কার্য নির্বাহী সদস্য

13. 

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী

কার্য নির্বাহী সদস্য

14.   

প্রকল্প বাসত্মবায়ণ কর্মকর্তা

কার্য নির্বাহী সদস্য

15. 

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা

কার্য নির্বাহী সদস্য

16. 

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা

কার্য নির্বাহী সদস্য

17. 

প্রাথমিক শিÿা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি

কার্য নির্বাহী সদস্য

18. 

মাধ্যমিক শিÿা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি

কার্য নির্বাহী সদস্য

19. 

মাদ্রাসা শিÿা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি

কার্য নির্বাহী সদস্য

20. 

গন্যমাণ্য ব্যাক্তি (পুরুষ)

কার্য নির্বাহী সদস্য

21. 

গন্যমাণ্য ব্যাক্তি (মহিলা)

কার্য নির্বাহী সদস্য

কার্য নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ হবে ৩(তিন) বছর, তবে বিশেষ প্রয়োজনে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে  সাধারণ সভায় গৃহীত সিদ্ধামত্ম মোতাবেক  মেয়াদ পূর্তির পূর্বেই কার্য নির্বাহী পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে নতুন পরিষদ গঠন করা যেতে পারে।

গ) উপদেষ্টা পরিষদঃ

সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশনের ০৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। এই সংস্থা কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সফলভাবে বাসত্মবায়নের জন্য সুচিমিত্মত পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করবেন।

মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, নোয়াখালী  ০১

উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানীত সদস্য

মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, নোয়াখালী  ০২

উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানীত সদস্য

 জেলা প্রশাসক, নোয়াখালী

উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানীত সদস্য

চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, সোনাইমুড়ী

উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানীত সদস্য

মেয়র, সোনাইমুড়ী পৌরসভা

উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানীত সদস্য

ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, সোনাইমুড়ী

উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানীত সদস্য

ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা), উপজেলা পরিষদ, সোনাইমুড়ী

উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানীত সদস্য

 

অনুচ্ছেদ-১১ঃ কার্য নির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ও ক্ষমতাঃ

ক) সাধারণ পরিষদের পক্ষে ফাউন্ডেশনের পরিচালনা ও কার্যাবলীর সমম্বয় সাধনের সামগ্রিক দায়িত্ব নির্বাহী পরিষদের উপর ন্যসত্ম থাকবে। নির্বাহী পরিষদ সংস্থার সুষ্ঠু পরিচালনার্থে বিধিমালা প্রণয়ন, অনুমোদন ও বাসত্মবায়ন নিশ্চিত করবে। বার্ষিক বাজেট ও অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা ও অনুমোদনের জন্য সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন, বার্ষিক প্রতিবেদন প্রণয়ন, সংস্থার  কার্যক্রম পর্যালোচনা ইত্যাদি কাজের জন্য নির্বাহী পরিষদ দায়ী থাকবে।

খ)  নিম্নলিখিত এক বা একাধিক কারণে কোন নির্বাহী সদস্য তার সদস্যপদ হারাতে পারেন।

১)     যদি কোন সদস্য একাদিকক্রমে নির্বাহী পরিষদের পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন;

২)     যদি কোন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন এবং তার পদত্যাগ পত্র নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়;

৩)     যদি কোন সদস্য মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন;

৪)     যদি কোন সদস্যের কাজ কর্ম ফাউন্ডেশনের স্বার্থের পরিপন্থি বলে বিবেচিত হয়;

৫)     যদি কোন সদস্যের মৃত্যু হয়।

অনুচ্ছেদ-১২ (১)ঃ সভাপতিঃ

সাধারণ পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের পক্ষে তিনি সংস্থার পরিচালনা ও কার্যাবলী সম্পাদনে সহায়তা করবেন। তিনি সাধারণ পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদসহ সকল প্রকার সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তিনি সকল প্রকার সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করবেন। তিনি নিজ ক্ষমতা বলে কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে যে কোন সময় কার্য নির্বাহী পরিষদ বা সাধারণ পরিষদের জরম্নরী সভা আহবান করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-১২ (২)ঃ  সহ-সভাপতি’র দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

সভাপতির অবর্তমানে/ অনুপস্থিতিতে সভাপতির যাবতীয় কাজ সহ-সভাপতি সম্পাদন করবেন। সভাপতি’র বর্তমানে/উপস্থিতিতে তাকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন এবং সভাপতি’র অনুরোধে তার প্রতিনিধিত্ব করবেন।

অনুচ্ছেদ-১২ঃ (৩) সাধারণ সম্পাদকঃ

এ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তি পদাধিকার বলে কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। সাধারণ সম্পাদক ফাউন্ডেশনের সদস্য-সচিব হিসেবে সংস্থা কর্তৃক গৃহীত কর্মসূচী সমূহ সঠিকভাবে বাসত্মবায়নের জন্য দায়ী থাকবেন। তিনি সভাপতির পরামর্শক্রমে ফাউন্ডেশনের অর্গানোগ্রাম প্রস্ত্তত ও সময়োচিত সংশোধন কল্পে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য কার্য নির্বাহী পরিষদে পেশ করবেন। সভাপতির পরামর্শক্রমে প্রকল্প সংক্রামত্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাসত্মবায়ন কৌশল উদ্ভাবন, সার্বিক পরিবীক্ষণ, নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত প্রশাসনিক ও আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী ফাউন্ডেশনের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ, বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও সহযোগী, ফাউন্ডেশনের বার্ষিক বাজেট ও বার্ষিক প্রতিবেদন প্রণয়ন ইত্যাদি হবে তার অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। তিনি এ সংস্থার আওতায় নিয়োজিত সকল সত্মরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে কার্য নির্বাহী পরিষদের সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভা আহক্ষvন করবেন। তাছাড়া নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধামত্মসমূহ তিনি বাসত্মবায়ন করবেন।

অনুচ্ছেদ-১২ (৪)ঃ  সহ-সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

সাধারণ সম্পাদকের অবর্তমানে/ অনুপস্থিতিতে সভাপতির যাবতীয় কাজ সহ-সম্পাদক সম্পাদন করবেন। সাধারণ সম্পাদকের বর্তমানে/উপস্থিতিতে তাকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন এবং সাধারণ সম্পাদকের অনুরোধে তার প্রতিনিধিত্ব করবেন।

অনুচ্ছেদ-১২ (৫)ঃ অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

ফাউন্ডেশনের সদস্য চাঁদা, দান ও অন্যান্য অর্থ সংক্রামত্ম তহবিল  রÿনাবেÿনে সাধারণ সম্পাদককে সার্বিক সহযোগিতা করবেন। সংস্থার বার্ষিক বাজেট তৈরিসহ বার্ষিক হিসাব বিবরণী উপস্থাপন এবং প্রস্ত্তত করার সময়ও তিনি সাধারণ সম্পাদককে সহযোগীতা ও তহবিল গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন।

অনুচ্ছেদ-১২ (৬)ঃ কার্য নির্বাহী  সদস্য এর দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ নির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদিত সিদ্ধামত্মসমূহ বাসত্মবায়নে কার্য নির্বাহী সদস্যগণ সহায়তা করবেন।

অনুচ্ছেদ- ১৩ঃ সাধারণ পরিষদের সভাঃ

(ক) বার্ষিক সাধারণ সভাঃ সাধারণ পvারষদ পূর্ব বিজ্ঞপ্তি প্রদান পূর্বক বৎসরে অমত্মতঃ একবার (সাধারনত জুলাই হতে নভেম্বর মাসের মধ্যে) অধিবেশনে বসবে। অধিবেশনের স্থান, তারিখ ও সময় সম্পর্কে অমত্মতঃ ১৫ (পনের)- দিন পূর্বে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করতে হবে।

খ) বিশেষ সাধারণ সভাঃফাউন্ডেশনের বিশেষ প্রয়োজনের তাগিদে বা তদ্রম্নপ পরিস্থিতির উদ্ভব হলে ফাউন্ডেশন বিশেষ সাধারণ সভা আহবান করতে পারবে। এ ক্ষেত্রেও অমত্মতঃ ১৫ দিন পূর্বে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করতে হবে।

অনুচ্ছেদ- ১৪ঃ সাধারণ পরিষদের সভায় নিম্নলিখিত কার্যাবলী সম্পাদন করা হবেঃ

ক) ফাউন্ডেশনের বার্ষিক প্রতিবেদন গ্রহণ করা।

খ) ফাউন্ডেশনের অডিটকৃত হিসাব পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা।

গ) সভার সভাপতির অনুমোদনক্রমে সংস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্য যে কোন বিষয়ে আলোচনা করা।

ঘ) সাধারণ পরিষদের সভায় গৃহীত সকল প্রসত্মাব নির্দিষ্ট রেজিষ্টারে নিবন্ধীকরণ করতে হবে এবং তা সদস্যদের মধ্যে প্রচার করতে হবে।

ঙ) সাধারণ পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার কমপক্ষে দুই তৃতীয়াংশ উপস্থিত থাকলে সভা চালানোর জন্য কোরাম পূর্ণ হবে।

অনুচ্ছেদ- ১৫ঃ নির্বাহী পরিষদের সভাঃ

 ক)নির্বাহী পরিষদ সাধারণতঃ প্রতি তিন মাস অমত্মর সভায় মিলিত হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজন দেখা দিলে অমত্মর্বর্তীকালীন সময়েও নির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে।

খ)    সভায় গৃহীত/অনুমোদিত সকল সিদ্ধামত্ম সংশি­ষ্ট রেজিষ্টারে রেজুলেশন আকারে লিপিবদ্ধ থাকবে।

গ)    নির্বাহী পরিষদের মোট সদস্যের কমপক্ষে ১৫(পনের)জন সদস্য উপস্থিত থাকলে সভা চালানোর জন্য কোরাম পূর্ণ হবে।

ঘ)   যদি কোন কারণে নির্বাহী পরিষদের কোন সভায় কোরাম পূর্ণ না হয় তা হলে উক্ত সভা মূলতবী করা হবে এবং ঐ দিনই উপস্থিত সদস্যগণের সম্মতিতে মূলত পরবর্তী সভা অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

অনুচ্ছেদ- ১৬ঃ সংস্থার অর্থায়নের উৎসঃ

ক) এ ফাউন্ডেশন তার কর্মসূচীসমূহ বাসত্মবায়নের লক্ষ্যে সরকারী, আধা সরকারী, বেসরকারী বা যে কোন ধরনের দেশী অথবা বিদেশী আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক বা সাহায্যকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি হতে সাহায্য অথবা অনুদান অথবা ঋণ গ্রহণ করতে পারবে।

খ) উপদেষ্টা অথবা সাধারণ পরিষদের সদস্যগণের নিকট হতেও এ ফাউন্ডেশন সাহায্য অথবা অনুদান গ্রহণ করতে পারবে।

অনুচ্ছেদ- ১৭ঃ হিসাব-নিকাশঃ

ক) ফাউন্ডেশনের হিসাব-নিকাশের বহি ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে সংরক্ষিত থাকবে এবং কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্যগণের অনুরোধ তাদের তা দেখানো যেতে পারে।

খ) কার্য নির্বাহী পরিষদের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক প্রতি বৎসর ব্যালেন্স শীট প্রস্ত্তত করবে এবং তা পর্যালোচনার জন্য সাধারণ পরিষদের সভায় উপস্থাপন করবে।

গ) বার্ষিক সাধারণ সভায় কার্য নির্বাহী পরিষদের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক বার্ষিক বাজেট উপস্থাপন করা হবে এবং সংশিস্ন­ষ্ট বাজেটের আওতায় যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

ঘ) ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি বাসত্মবায়নের জন্য যে কোন তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খুলতে হবে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অথবা সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে জরম্নরি প্রয়োজনে সভাপতি ও অর্থ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে ফাইন্ডেশেনের সর্ব প্রকার আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হবে।

অনুচ্ছেদ- ১৮ঃ অডিটঃনিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত অডিট ফার্ম/নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের একজন প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা দ্বারা বৎসরে একবার এর অডিট সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে বিশেষ অডিটের ব্যবস্থা করতে হবে। বার্ষিক অডিট রিপোর্ট ও কার্যক্রমের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।

অনুচ্ছেদ - ১৯ঃ কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগঃ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগের প্রয়োজনীতা দেখা দিলে কার্য নির্বাহী পরিষদের সভায় পদ ও মাসিক বেতন ভাতাদি ইত্যাদি নিরূপন করে একটি নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে এবং স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বহুল প্রচারের ভিত্তিতে কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা করবে এবং নিয়োগ কমিটিতে নিবন্ধনকরণ কর্তৃপক্ষের একজন প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তার প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

অনুচ্ছেদ - ২০ঃ শাখা অফিসঃ ফাউন্ডেশনের শাখা অফিসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে কার্য নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধামত্ম মোতাবেক শাখা অফিসের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা উলেস্ন­খ করে রেজিঃ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে অফিস খোলা যাবে। তবে অনুমোদিত কর্ম এলাকার বাহিরে শাখা অফিস স্থাপন করা যাবে না এবং কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।

অনুচ্ছেদ- ২১ঃ গঠনতন্ত্র সংশোধনঃ এ ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র সাধারণ পরিষদের সভায় সংশোধন করা যাবে। তবে এ সংশোধনী ন্যুনতম ১৫ দিন পূর্বে কার্য নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করতে অনুমোদন নিতে হবে। যে সভায় এ সংশোধনী পাশ করা হবে উক্ত সভায় আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে এ বিষয়টি অমত্মর্ভূক্ত থাকতে হবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশের অনুমোদন থাকতে হবে এবং তা রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে কার্যকর করা যাবে।

 অনুচ্ছেদ- ২২ঃ নির্বাচন  পদ্ধতিঃ যেহেতু ফাউন্ডেশনের সকল নির্বাহী সম্পাদক এবং সদস্য সরকারি কর্মকর্তা সুতরাং নির্বাচন পরিচালনা পদ্ধতির কোন প্রয়োজন নেই। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন দেখা দিলে গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তন করা যাবে।

অনুচ্ছেদ - ২৩ঃ বিলুপ্তিকরণ পদ্ধতিঃ যদি কোন কারণবশতঃ এই ফাউন্ডেশন বন্ধ অথবা বাতিল করতে হয় তবে সাধারণ পরিষদের তিন পঞ্চমাংশ সদস্য রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এ বিষয়ে রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধামত্ম চুড়ামত্ম বলে গণ্য হবে।

 

বিঃ দ্রঃ-যেহেতু ইহা একটি স্বেচ্ছাসেবী, অলাভজনক, সমাজকল্যাণ মূলক সংস্থা সেহেতু এই ফাউন্ডেশন ১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশের আলোকেই পরিচালিত হবে। সোনাইমুড়ী উপজেলা ফাউন্ডেশনের ৩০/০৬/২০১৪ খ্রিঃ ২য় সাধারণ সভায় অনুচ্ছেদঃ ০১ হতে অনুচ্ছেদঃ ২৩ এ বর্ণিত গঠনতন্ত্র অনুমোদিত হয়।

(সমাপ্ত)